এডুইন হাবল: মহাবিশ্বকে যিনি নতুন করে দেখতে শেখালেন

এখন আমরা কথায় কথায় বলি, মহাবিশ্বের ব্যাপ্তি অসীম; কোটি কোটি ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি আছে এতে। মহাবিশ্ব যে এত বিরাট ১০০ বছর আগে তা মানুষের কল্পনা করাও অসম্ভব ছিল। তখন যে প্রযুক্তির টেলিস্কোপ ছিল জ্যোতির্বিদদের নাগালে আর তা থেকে যা পর্যবেক্ষণ করা যেত তাতে তাদের পক্ষে এরকম ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করাই স্বাভাবিক।   [caption id="attachment_1183" align="aligncenter" width="620"] মাউন্ট উইলসন মানমন্দির[/caption]   ১৯১৯ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্ট উইলসন মানমন্দিরে বসানো হল ১০০ ইঞ্চি... বিস্তারিত

মোস্ট ইন্টেলিজেন্ট পিকচার

  এক ছবিতে আলবার্ট আইনস্টাইন, ম্যাক্স প্ল্যাংক, নীলস বোর, মেরি কুরি, উলফগ্যাং পলি, ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ, এরউইন স্রোডিংজার, হেনড্রিক লরেঞ্জ, লুই ডি ব্রগলি সহ ২৯ জন যাদের মধ্যে ১৭ জনই নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী। আমাদের ইন্টারমিডিয়েট এর ফিজিক্স বইয়ের অর্ধেক নামই এখানে আছে বলে মনে হয়। স্থানঃ সলভে কনফারেন্স, ব্রাসেলস, বেলজিয়াম। সালঃ ১৯২৭   [caption id="attachment_982" align="aligncenter" width="1400"] আসল ছবি এটি, সাদাকালো। প্রথম ছবিটি বিশেষ উপায়ে রঙ্গিন করা হয়েছে[/caption]   ছবি পরিচিতিঃ... বিস্তারিত

আচার্য ভবনে (জাদুঘর) সংরক্ষিত স্যার জগদীশচন্দ্র বসুর আবিষ্কৃত বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি

বিশ শতকের গোড়ার দিকে বিজ্ঞান নিয়ে পশ্চিমাদের বরাবরই অহম ছিলো, নিচু জাতের ভারতীয়রা আর কি বৈজ্ঞানিক গবেষণা করবে! গোলামী করার যোগ্যতাই ওদের আছে শুধু, বড়জোর একটু আধ্যাত্মিক চর্চা আর কিছু ঝাড়-ফুঁক করার। পশ্চিমাদের এমন অহমের মুখে ঝাঁটার বাড়ি পড়লো জগদীশ চন্দ্র বসু ১৯০০ সালের শুরুতে বিজ্ঞানের মঞ্চে যখন উঠে এলেন। পদার্থবিদ্যা, জীববিজ্ঞান মূলত উদ্ভিদবিদ্যায় আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু অভাবনীয় সব গবেষণায় নিয়োজিত হন যা পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের কাছে ছিলো নতুন। নোবেলজয়ী... বিস্তারিত

×